শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট যেসব সুবিধা পান বাস ও সিএনজি অটোরিকশা সংঘর্ষে এক শিশু নিহত, আহত ৫ ছোট ভাইয়ের জানাজার পর বড় ভাইয়ের মৃত্যু নাগোর্নো-কারাবাখের শেষ প্রদেশেও প্রবেশ করেছে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন ১২ জন আক্রান্ত, জেলায় ২৬৫৬ জন শনাক্ত কাশ্মীর ইস্যুতে আবারও উত্তপ্ত ভারত-পাকিস্তান দলীয় মনোনয়নের আবেদন ফরম সংগ্রহ করলেন সাবেক মেয়র হেলাল উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাচাকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন একটি স্বাধীন, সুসংহত ও টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশ ওআইসি বৈঠকে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে যৌথ প্রস্তাব গ্রহণ করেছে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম দেশগুলো

অন্ধকার

আইন আলসাবা আতিক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ জুন, ২০২০

খুব আগের কথা। তানহা তখন ক্লাস এইটে পড়ত। সেদিন ছিল শুক্রবার। তানহার মা-বাবা বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিল। তানহার বিয়ে বাড়িতে যাবার ইচ্ছে ছিল না। তাই সে যাই নি।
তানহার মা-বাবা বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিল রাত আটটার সময়। এখন বাজে রাত দশটা। তানহা এই মাত্র লেখা-পড়া শেষ করেছে। তাই, সে তার মোবাইলটা হাতে নিল। মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখল যে, রাত দশটা বেজে গেছে। তখনি হঠাৎ কারেন্ট চলে গেল। সাথে সাথে তানহার ফোন বাজল। তানহা দেখল মা ফোন করেছে। সে ফোন ধরার আগেই ফোন বন্ধ হয়ে গেল।
হঠাৎ, তার মনে হল তার পেছনে কেও আছে। তানহার পিছনে তাকাল, তখনি মনে হল একটি ছায়া অন্য দিকে চলে গেল। তানহার আবার মনে হল তার পিছনে কেও আছে। আবারই একটি ছায়া অন্য দিকে চলে গেল। সেই ছায়াটি তার মা-বাবার রুমে চলে গেল। তানহা ভয় পেয়ে গেল।
সে মা-বাবার রুমের সামনে সাহস করে গেল। সে দেখল দরজা বন্ধ। সে সাহস করে রান্নাঘরে গিয়ে মোমবাতি ধরাল। সে তার মা-বাবার রুমের সামনে আবার গেল। তারপর সে দরজা খুলল।
তানহা দেখল সব কিছু এলোমেলো। সে ভাবল চোর এলো না কি। সে ড্রেসিং টেবিলের ডান পাশের জানালার সামনে গিয়ে দাড়াল। তখন হঠাৎ তার মনে হল আবার তার পিছনে কেও আছে। তানহা পিছনে তাকাল। এমনি একটি ছায়া ড্রেসিং টেবিলে ধোকে গেল। সে ড্রেসিং টেবিলের সামনে গিয়ে দাড়াল। হঠাৎ, মোমবাতিটি নিভে গেল। আয়নাতে একটি ছায়া দেখল তানহা। সে ছায়ার চোখ ছিল। চোখ দুইটি ছিল খুব লাল। সে ভয় পেয়ে গেল। সেই ছায়াটি আইনা থেকে বের হয়ে তানহার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল।
তার দুই ঘণ্টা পরে তানহার মা-বাবা বাসায় এল। তার মা-বাবা চাবি দিয়ে দরজা খুলল। তারা দেখল ঘর অন্ধকার হয়ে আছে। তারা তানহাকে ডাক দিল। কিন্তু, তানহা কোনো উত্তর দিল না। তাই তারা তানহাকে খুঁজতে লাগল। খুঁজতে খুঁজতে তারা তাদের রুমের সামনে এসে দাঁড়াল। তারা দেখল তাদের রুম থেকে রক্ত বের হচ্ছে। তানহার বাবা-মা ভয় পেয়ে গেল। তারা দরজা খোলার চেষ্টা করল। কিন্তু দরজা খোলা গেল না। উনারা পাশের বাসার মানুষদের ডাক দিল। তারা সবাই মিলে দরজা ভেঙ্গে ফেলল।
তানহার বাবা-মা দেখল শুধু তানহার মাথা মেঝেতে পড়ে রয়েছে। তানহার মাথা থেকে রক্ত বের হয়ে মাটিতে পড়ছে।
তানহার বাবা-মা তানহার এমন হাল দেখে কাঁদতে লাগল, তখন অন্য একজন পুলিশকে ফোন করল। পুলিশ এসে তদন্ত কওে তার কোনো রহস্য খুঁজে পেল না।
তানহার মা-বাবা তানহার এই মৃত্যু ভুলতে না পারায় বাসাটা বদল করে, নতুন বাসায় ওঠে। এর এক মাস পরে তানহার বাবাও একই ভাবে মারা যায়। তানহার মাও ভয় পেয়ে অন্য একটি বাসা ভাড়া নেয়। কিন্তু বাড়ি নেয়ার তিন মাস পরে একই ভাবে মারা যায়।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102