বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
যুক্তরাষ্ট্রের কোলে আশ্রয় নিতে ছুটছে ভারত, পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছে চীন বিশ্বকে অবশ্যই ‘গণতান্ত্রিক’ মিয়ানমারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে বাড্ডায় জবাই করা যুবকের মরদেহ উদ্ধার করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢামেক হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তার মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশ্ব এন্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ রাজধানীতে প্রেমিকের সঙ্গে অভিমানে প্রেমিকার আত্মহত্যা পাকিস্তানী টেলি-ড্রামায় মাতোয়ারা ভারতের দর্শকরা রোহিঙ্গাদের জোর করে ভাসানচরে পাঠানো হচ্ছে: অ্যামনেস্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন ১৬ জন করোনায় আক্রান্ত; জেলায় শনাক্ত সংখ্যা ২৬শ ছাড়ালো

আবির

আশিকুল ইসলাম অয়ন
  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ জুন, ২০২০

জানালা দিয়ে দূর আকাশর দিকে তাকিয়ে আছি। রাতে আকাশ তার নিজস্ব রহস্যকে ফুটিয়ে তুলে। দূর আকাশে বিজলি চমকাচ্ছে। যার কারণে আকাশকে আরও রহস্যময় লাগছে। মনে হয় কিছুক্ষণের মধ্যেয় বৃষ্টি শুরু হবে।
আজকে এই বাসায় আমাদের প্রথম রাত। আগে থাকতাম ঢাকায়। আব্বু বদলি হয়ে এই প্রতন্ত এলাকায় এসেছে, সাথে আমরাও। মানে আমি আর আমার আম্মু।
আব্বু-আম্মু পাশের রুমে। আমি আমার রুমে বসে আছি। আমরা যে বাসায় এসেছি, সেই বাসার আশেপাশে অন্য কোন বাড়ি ঘর নেই। চারপাশ শুধু গাছপালা দিয়ে ধাকা। আমরা থাকি দুই তলায়। আর এক তালায় বাসার মালিক। রাতের বেলায় চারপাশে একটা ভৌতিব পরিবেশর সৃষ্টি হয়।
আমার পরিচয়টা দেয়া হয়নি। আমি আবির। পুরো নাম আরিফুল ইসলাম আবির। মা-বাবার একমাত্র ছেলে। এইবার ক্লাস এইটে আছি। আব্বু বলেছে এখানের একটা স্কুলে আমাকে ভর্তি করিয়ে দিবে।
রাতে আমরা তারাতারি খাবার খেয়ে শুয়ে পরলাম। সারাদিনের জার্নিতে শরীল ক্লান্ত হয়ে গেছে। তাই বিছানায় শোয়ার সাথে সাথে ঘুমিয়ে গেলাম। রাতে হঠাৎ কোন কিছুর শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল। জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে দেখি যে বাহিরে বৃষ্টি পরছে।আর যে আওয়াজটার কারণে ঘুম ভেঙ্গে গেছে সেই আওয়াজটাও এখন আসছে। মনে হয় আওয়াজটা উপর থেকে আসছে। সম্ভবত ছাদ থেকে। আমি কি হচ্ছে দেখার জন্য বাসা থেকে বের হলাম। সিঁড়ি দিয়ে ছাদের দিকে এগুতে লাগলাম। সিঁড়ি দিয়ে উঠার সময় দেখলাম যে, ছাদের গেইটের কাছে কয়েকটা চোখ জল-জল করছে। চোখ গুলো আমার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। একমুহূর্তের জন্য আমার বুকটা কেঁপে উঠল। কিন্তু, সাথে সাথে নিজেকে সামলে নিলাম। কারণ চোখগুলো বানরের। সম্ভত তারা এই ছাদেই থাকে।

আমি তাদের কাছে যেতেই তারা বৃষ্টি মধ্যেয় দৌরে পালিয়ে গেল। ছাদের মধ্যে কিছু বানর দাড়িয়ে আমাকে সন্দেহর চোখে দেখতে লাগল। আমি কিছুক্ষণ দাড়িয়ে এই অসাধারন আর ভৌতিক পরিবেশটা দেখলাম। তারপর আমি বাসায় গিয়ে বানরদের জন্য খাবার খুজতে লাগলাম। শেষ পর্যন্ত কয়েকটা কলা আর কিছু রুটি নিয়ে আবার ছাদে গেলাম। কয়েকটি বানর আগের জায়গাই ফিরে এসেছিল। আমাকে দেখে তারা আবার পালিয়ে যায়। আমি খাবারগুলো তারা যেখানে বসেছিল সেখানে রেখে বাসায় ফিরে আসলাম। ফিরে এসে প্রায় সাথে সাথে ঘুমিয়ে পরলাম।
সকালে আম্মুর ডাকে ঘুম ভেঙ্গে গেল। ঘুম থেকে উঠে দেখি সকাল আটটা বেজে গেছে। আমি সকালের খাবার খেয়ে স্কুলের উদ্দেস্য বাড়ি থেকে বের হলাম।
এর আগের বার যখন বাসা দেখতে এসেছিলাম তখন স্কুলও দেখে গিয়েছিলাম। তাই স্কুলে যাবার রাস্তাটা আমি জানি। ঢাকায় স্কুলে যাবার সময় রাস্তায় অনেক ছেলে মেয়ে থাকত যারা সবাই স্কুলের যাবার জন্য বাসা থেকে বের হত। কিন্তু এখানের রাস্তা অনেক নিরিবিলি। আমি স্কুলে যাবার সময় চারপাশের প্রকৃতি দেখে বার বার মুগ্ধ হচ্ছিলাম। ঢাকায় কোন সময় এত গাছ এক সাথে দেখি নায়।
স্কুলটা দেখেও আমি মুগ্ধ। এক তলা স্কুল আর মাঝখানে এক বিশাল মাঠ। প্রকৃতির রূপে আমি আসলেই মুগ্ধ।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102