বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
মালয়েশিয়ায় জরুরি অবস্থা জারির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাজার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে জাকারবার্গকে চিঠি লিখলেন ইমরান খান ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাকে বদলে গেছে আরবের শপিংমলের চিত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চালকের হাত-পা বেঁধে অটোরিকশা ছিনতাই! এবার ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক এরদোগানের ওয়েলডিং এর কাজ করার সময় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক ওয়েলডিং মিস্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ট্রলি চালকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন ৬ জন করোনায় আক্রান্ত, জেলায় শনাক্ত ২৪৯৮ জন ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বিষখালী নদীর চর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার !

আমেরিকার ড্রোন কেন বিশ্ব বাজারে আধিপত্য দেখাতে পারছেনা?

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
আমেরিকার ড্রোন কেন বিশ্ব
ছবি: আমেরিকার নির্মিত ড্রোন

আমেরিকার ড্রোন কেন বিশ্ব বাজারে আধিপত্য দেখাতে পারছেনা:

আমেরিকা আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে ৭.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ৩৬টি MQ-9 Reaper ড্রোন বহরে যোগ করবে

আমেরিকা সাধারণত এই ধরনের একটি ড্রোন রপ্তানি করে ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে। যা আমেরিকার নিজের জন্য খরচ হয় ২০৫ মিলিয়ন ডলার। এই হিসেবে করলে ৩৬টি ড্রোনের মূল্য দাঁড়ায় ৭.৪ বিলিয়ন ডলার।

এই ড্রোন গুলো টেকনোলজির দিক থেকে প্রথম শ্রেনীর। কিন্তু দাম বিবেচনায় একটি শ্বেত-হস্তী। কারন ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বিপরীতে একটি ড্রোন। অথচ এয়ার ডিফেন্স নেই এমন অঞ্চলেই এই ড্রোনের সফলতা রয়েছে। তাছাড়া এর ব্যাবহর খুবই সিমিত পরিসরে।

লিবিয়ায় এই ড্রোন ধংস হয়েছে চলতি বছরে তাদের কাছে আধুনিক এয়ার ডিফেন্স নেই। এছাড়াও আফগানিস্তানে ঘন ঘন ধংস হয় মার্কিন এই ড্রোন গুলো। কিছুদিন আগে সিরিয়াতে ২টি ধংস হয়েছে। ইয়েমেনে প্রচুর ধংস হয়েছে।আর যদি এয়ার ডিফেন্স রয়েছে এমন দেশগুলোর বিপরীতে ব্যাবহার হয় তবে কি হবে।

ড্রোন আধুনিক যুগে নিঃসন্দেহে গেমচেঞ্জার কিন্তু তা হতে হবে মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যেমন চীন ও তুরস্ক তার উদাহরণ। এদের ড্রোন ও আমেরিকার মত ধংস হয় আবার সফলতা ও পায়।

কিন্তু বিপরীত খরচ টা অনেক কম। তুরস্কের ড্রোনের মোটামুটি রপ্তানি মূল্য ১০ মিলিয়ন ডলার ইনকাম। তাও প্রায় ২০-৪০টি ধংস হয়েছে গত ১ বছরে কিন্তু তার আর্থিক মূল্য ৪০×১০=৪০০ মিলিয়ন ডলার।

বিপরীতে সফলতা অন্তত ১ বিলিয়ন প্রতিপক্ষের এয়ার ডিফেন্সের । চীনের ক্ষেত্রে ও তাই ২০ মিলিয়ন গড় দামে তাদের ড্রোন গুলো বেশ কার্যকরী।

এজন্য ই আমেরিকার ড্রোন মার্কেট পায় না। বিপরীতে ড্রোন মার্কেটে এককভাবে আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছে চীন। ভবিষ্যতে এই ধারা বহুলাংশে বজায় থাকবে।

আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ৩০টি মার্কিন MQ-9 Reaper ক্রয় করবে ৩ বিলিয়ন ডলার দিয়ে যার পরিনতি কি হবে বলার অপেক্ষা রাখে না। কারন প্রতিবেশী প্রতিটি দেশের এয়ার ডিফেন্স যথেষ্ট শক্তিশালী। বাংলাদেশের SAM দূর্বল হলেও Mig-29 রয়েছে তাই এই সব ড্রোন পাত্তা পাবে না।

এগুলো দিয়ে ভারত বড়জোর ভারত মহাসাগরে শান্তিকালীন টহল দিতে পারবে। আর চীন ও পাকিস্তানের বিপরীতে এগুলো ব্যাবহার করার সুযোগ একদিন এর বেশী পাবে না কারন তার বেশী সময় এগুলো আকাশে থাকবে না।

চীন যেখানে ২ হাজার ড্রোন দিয়ে নিজের বহর সাজিয়েছে সেখানে ভারত কেবল রুস্তম কে ক্রাস করে পরীক্ষা সম্পন্ন  করেছে। সূত্র: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কলাম থেকে নেওয়া

আরও পড়ুন: দুর্বৃত্তকারির ছুড়িকাঘাতে বাস কাউন্টার সুপার ভাইজারের মৃৃত্যু

আরও পড়ুন: শাহরিয়ার স্টিল মিলে লোহা গলানোর ভাট্টিতে বিস্ফোরণ হয়ে পাঁচজন শ্রমিক দগ্ধ

আরও পড়ুন: হানিফ ফ্লাইওভার ব্রীজের উপর ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

আরও পড়ুন: তুরস্কের এয়ারডিফেন্স কতটা শক্তিশালী ?

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

One thought on "আমেরিকার ড্রোন কেন বিশ্ব বাজারে আধিপত্য দেখাতে পারছেনা?"

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102