শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন

ক্ষতিকর পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুরে সয়লাব বাংলাদেশের বাজারগুলো

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর
ছবি: পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর

ক্ষতিকর পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুরে সয়লাব বাংলাদেশের বাজারগুলো:

ঢাকার কাওরানবাজারে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণের ক্ষতিকর পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ উদ্ধার করেছে।

বাংলাদেশে কয়েক বছর আগে এই দুই মাছ নিষিদ্ধ করা হলেও পিরানহা মাছ বিক্রি হচ্ছে রূপচাঁদার নামে। অন্যদিকে ছোট আকারের নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রি করা হচ্ছে দেশি মাগুর বলে।

আরও পড়ুন: পাঁচ তলা ভবন থেকে পরে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃৃত্যু

এই ভাবে ক্রেতাদের প্রতারিত করার দায়ে ৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিশেষ কিছু কারণে এই মাছ দুইটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই পিরানহা মাছ দেখতে অনেকটা রূপচাঁদা মাছের মতো। তবে এর শরীরের রং কিছুটা লালচে এবং ধূসর।

এই পিরানহা মাছের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল যে, এর ছোট এবং অত্যন্ত শক্তিশালী চোয়াল। এর দুই পাটিতে ত্রিশূলের মতো দাঁত এতটাই ধারালো যে, শিকারের দেহ এক নিমেষে ছিন্নভিন্ন করে দিতে পারে।

পিরানহা মাছ প্রজাতি ভেদে লম্বায় সাধারণত ৬ ইঞ্চি থেকে এক ফুট এমনকি অনেক ক্ষেত্রে দেড় ফুট পর্যন্ত হতে পারে।

আর অপরদিকে, আফ্রিকান মাগুর মাছ দেখতে অনেকটা দেশি মাগুর মাছের মতো হলেও আকারে অনেক বড় হয়। সর্বভুক হবার কারণে এই মাছ খুব দ্রুত বেড়ে ওঠতে পারে। একটি পরিণত আফ্রিকান মাগুর মাছ ৪ ফুট পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। এবং এর ওজন ১৫ বা ১৬ কেজির মতো হতে পারে।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে স্কুলের জমিতে বৈধভাবেই মার্কেট নির্মাণ, কিন্তু পৌরসভা অবৈধ ভাবে ভেঙে ফেলেছে !

তাই উপরিক্ত কারণগুলোর জন্য এই মাছ দুটিকে রাক্ষসে স্বভাবের মাছ বলা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে, পিরানহা এবং আফ্রিকান মাগুর এই দুইটি মাছই হল স্বাদু পানির মাংসাশী মাছ।

আফ্রিকান মাগুর মূলত সারা বিশ্বের ছোট-বড় জলাশয়ে পাওয়া যায়। ভীষণ নোংরা পানিতে এমনকি নর্দমা, পয়ঃনিস্কাশনের জলাধরে যেকোনো প্রতিকূল পরিবেশের সাথে লড়াই করে আফ্রিকান মাগুর স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনধারণ করতে পারে।

আর পিরানহা মাছ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা এমনকি আফ্রিকার গরম অঞ্চলে নদীর অববাহিকা, খাল, হ্রদ বিশেষ করে অগভীর জলাশয়ে।

এই দুই ধরণের মাছ দল বেঁধে চলাফেরা করে এবং শিকারের ওপর আক্রমণ করে একসাথে। এর যেখানে থাকে সেখানকার ছোট বড় মাছ, মাছের ডিম, পোনা সেইসঙ্গে অন্যান্য জলজ প্রাণী মুহূর্তের মধ্যে খেয়ে নিঃশেষ করে ফেলতে পারে।

আর পিরানহা মাছ এতটাই ভয়ংকর যে, পিরানহা মাছ যদি কোন অবরুদ্ধ জায়গায় চাষ করা হয়ে এবং সেখানে যদি কোন মানুষ পড়ে যায় তাহলে পিরানহার মাছের দল ঝাঁক বেঁধে সেই জ্যান্ত ব্যক্তিকে এক নিমিষে খেয়ে সাবাড় করে ফেলতে পারবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102