শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোবার ঘর থেকে গলিত লাশ উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্মাণাধীন তিন তলার ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত রাজধানীর গুলশানের নর্দা এলাকায় কাভার্টব্যানের পত্রিকার হকার নিহত স্বর্ণের মতো চার ক্যাটাগরিতে বি‌ক্রি হবে রূপা হযরত মুসা (আ:)-এর স্মৃতি বিজরিত সেই কূপ ও বাড়ি এখনো টিকে আছে সৌদি আরবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা অনুশীলন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সসহ সদর উপজেলায় ১২ জন শনাক্ত যুক্তরাষ্ট্রের কোলে আশ্রয় নিতে ছুটছে ভারত, পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছে চীন বিশ্বকে অবশ্যই ‘গণতান্ত্রিক’ মিয়ানমারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে বাড্ডায় জবাই করা যুবকের মরদেহ উদ্ধার

জম্মু ও কাশ্মীরের মুসলিম-হিন্দু জনমিতি: শুমারির সংখ্যা যা বলছে

অনলাইন ডেস্ক।।
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০

জম্মু ও কাশ্মীরের মুসলিম-হিন্দু জনমিতি: শুমারির সংখ্যা যা বলছে

সোমবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু ও কাশ্মীর এলাকার ভূমি আইনে যে সংস্কার এনেছে, সেটা ওই এলাকার ‘স্থায়ী বাসিন্দাদের’ আগের অধিকারকে বাতিল করে দিয়েছে। এই সংস্কারের ফলে এলাকার বাইরের অধিবাসীরা সেখানে অ-কৃষি জমি কিনতে পারবে।

এই সিদ্ধান্তকে উদযাপন করেছে বিজেপির নেতা এবং মুখপাত্ররা। ফলে কাশ্মীর এলাকার রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে যে আশঙ্কা জানিয়ে আসছিল যে ওই এলাকার জনমিতিক চেহারা স্থায়ীভাবে বদলে ফেলা হবে, সেই আশঙ্কাই এখন আরও জোরালো হলো। মঙ্গলবার ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ওমর আব্দুল্লাহ টুইটারে বলেছেন যে, কেন্দ্র এখন ‘টোকেন ব্যবস্থাটাকেও’ তুলে দিয়েছে এবং ‘জম্মু ও কাশ্মিরকে এখন বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে’।

২০১১ সালের আদমশুমারিতে দেখা যাচ্ছে যে, জম্মু ও কাশ্মীরের ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার চেহারাটা বিগত অর্ধ শতাব্দি ধরে তেমন একটা পরিবর্তন হয়নি। ২০১৯ সালের ৫ আগস্টে জম্মু ও কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়, এবং এই রাজ্যকে দুটো ইউনিয়ন অঞ্চলে ভাগ করা হয়।

১৯৪১ সালের স্বাধীনতা পূর্ব আদমশুমারিতে এ অঞ্চলের মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ৭২.৪১%, আর হিন্দু ছিল ২৫.০১%। এরপর থেকে রাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যার অনুপাত ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

স্বাধীন ভারতের প্রথম আদমশুমারিতে জম্মু ও কাশ্মীরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ১৯৬১ সালের শুমারিতে দেখা গেছে মুসলিম জনসংখ্যা হলো ২৪.৩২ লাখ, যেটা রাজ্যের জনসংখ্যার ৬৮.৩১%। যেখানে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল তখন ১০.১৩ লাখ, অর্থাৎ জনসংখ্যার ২৮.৪৫%।

এর ৫০ বছর পরে এসে এই অনুপাতটা প্রায় একই রকম আছে। ২০১১ সালের শুমারিতে দেখা গেছে মুসলিম জনসংখ্যা হলো ৮৫.৬৭ লাখ, যেটা জনসংখ্যার ৬৮.৩১%, আর হিন্দু জনসংখ্যা হলো ৩৫.৬৬ লাখ, যেটা মোট জনসংখ্যার ২৮.৪৩%।

মুসলিমদের জনসংখ্যা ১৯৬১ সালের শুমারির পর কমতে শুরু করে, যখন তাদের অনুপাত ছিল ৬৮.৩ শতাংশ। ১৯৭১ সালে এই অনুপাত ছিল ৬৫.৮৩ শতাংশ এবং ১৯৮১ সালের শুমারি অনুযায়ী এটা ছিল ৬৪.১৯ শতাংশ।

জঙ্গিবাদের কারণে ১৯৯১ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে কোন শুমারি করা যায়নি। তবে ২০০১ সালের শুমারিতে দেখা গেছে সেখানকার মুসলিম জনসংখ্যা ৬৬.৯৭ শতাংশ স্পর্শ করেছে, যেটা ১৯৭১ সালের চেয়ে বেশি ছিল। আর ২০১১ সালে, এটা আরও বেড়ে ৬৮.৩১ শতাংশে উন্নীত হয়।

জম্মু ও কাশ্মীরের শুরুতে ১৪টি জেলা ছিল। কাশ্মীরে ছয়টি, জম্মুতে ছয়টি এবং লাদাখে দুইটি জেলা ছিল। এগুলোর মধ্যে ১০টি ছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। কাশ্মীরের ছয়টি জেলার সবগুলো, জম্মুর তিনটি, এবং লাদাখের একটিতে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল।

জম্মুর বাকি তিনটি জেলায় হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। আর লাদাকের বাকি জেলাটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল বৌদ্ধরা।

সূত্র ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102