শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

ঝালকাঠিতে মাল্টা চাষে ব‍্যাপক সফলতা !

আতাউর রহমান, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি।।
  • আপডেট সময় সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠি জেলার শহরতলির বিকনা ব্লকের অবসর প্রাপ্ত একমি ল্যাবটরীর সিনিয়র মার্কেটিং অফিসার খন্দকার ইকবাল মাহমুদ মাল্টা চাষে সফলতা লাভ করেন।

মহামারি করোনা পরিস্থিতি জনিত কারণে এই রোগ প্রতিরোধক মাল্টার স্থানীয় বাজারে চাহিদা রয়েছে। এই ফল বাজারে আসতে শুরু করেছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দেশি মাল্টা সাধারণ মানুষের কাছে ফরমালিন মুক্ত থাকায় চাহিদাও বেশি। ঝালকাঠি জেলায় দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে মাল্টা চাষ। স্থানীয় কৃষকরা অপেক্ষকৃত উচুঁ জায়গায় কান্দি করে মাল্টার বাগান করছে। কৃষি বিভাগ চাষাবাদে কৃষকদের প্রযুক্তিগত পরামর্শ দিয়ে কৃষকদের মাল্টা চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে। এই অঞ্চলের উৎপাদিত মাল্টা চাষ লাভজনক এবং মাল্টা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ মিষ্টি স্বাদের ফল।

আরও পড়ুনঃ ঝালকাঠিতে ২৪ ঘন্টায় আরও ৫ জনসহ মোট আক্রান্ত ৬৬৪ জন !

কৃষি সম্প্রষারণের হিসাব মতে জেলায় ৫০ একরের মাল্টা চাষ হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় ১০০-১২৫ টাকা কেজি দরে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের চাহিদা পুরণ করতে পারবে !

ঝালকাঠির শহরতলির বিকনা ব্লকের অবসর প্রাপ্ত খন্দকার ইকবাল মাহমুদ, তিনি ২০১৭ সালে ৩ একর জায়গা কিনে বারি-১ জাতের মালটার বাগান করেছেন এবং এর সাথে উচ্চ ফলনশীল জাতের আম-লিচু ও ছবেদা ফলের গাছসহ ৯০০টি ফলের গাছ রয়েছে।

২০১৭ সালে রোপন করা মাল্টা বাগান থেকে এব বছর পর ২০১৮ সাল থেকে ফলন পেতে শুরু করেছেন। বর্তমানে তার বাগানে এ বছরও বাম্পার ফলন হয়েছে এবং সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ শেষে ফলন তোলা ও বাজারজাত করবেন। গত বছর তাঁর ফল চাষাবাদে ৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে, শুধু মাল্টা বিক্রি করে ৯ লক্ষ টাকা পেয়েছেন। তাঁর নিট আয়া হয়েছে ৬লক্ষ টাকা। তিনি চাষাবাদে মানুষের জন্য ক্ষতি হতে পারে এমন কোন রাসায়নিক সার ব্যবহার করে না।

স্থানীয় ঝালকাঠি ও বরিশাল থেকে ফল বিক্রেতারা তার বাগান থেকে মাল্টা কিনে নিয়ে যায়। চাষাবাদের অরগানিক পদ্ধতি ব্যবহার তার বড় বৈশিষ্ট্য । বাগান করার পূর্বে ভূমি উন্নয়ন ও ধানি জমিকে উচু করার জন্য মাটি কেটে দুটি পুকুর তৈরী করেছে যেখানে এখন মিশ্র জাতে মাছের চাষ হচ্ছে। আগামীতে জৈব সারের ব্যবহার করার জন্য দুগ্ধ খামার ও হাঁসের খামার করার জন্য চিন্তা ভাবনা করছেন। ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তারা এই বাগানের খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দিচ্ছেন।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102