মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১১:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
মালয়েশিয়ায় জরুরি অবস্থা জারির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাজার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে জাকারবার্গকে চিঠি লিখলেন ইমরান খান ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাকে বদলে গেছে আরবের শপিংমলের চিত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চালকের হাত-পা বেঁধে অটোরিকশা ছিনতাই! এবার ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক এরদোগানের ওয়েলডিং এর কাজ করার সময় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক ওয়েলডিং মিস্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ট্রলি চালকের মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন ৬ জন করোনায় আক্রান্ত, জেলায় শনাক্ত ২৪৯৮ জন ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বিষখালী নদীর চর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার !

ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক ।।
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী;

নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা মহামারির মধ্যেও দেশ ও মানুষের জন্য দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত কয়েক মাসে শুধু কোভিড-১৯ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নে সরকার যেসব নির্দেশনা জারি করেছে সেগুলো পর্যালোচনা করলে এবং পরিমাণ বিবেচনায় নিলেই কিছুটা অনুমান করা যায় জনগণের জীবন ও জীবিকা নিশ্চিত করতে দিন-রাত কতটা পরিশ্রম করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

শুধু কোভিড-১৯ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নে জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও মন্ত্রণালয় যেসব নির্দেশনা জারি করেছে তার পরিমাণ ১ হাজার ৯৭৬ পৃষ্ঠা।

ভবিষ্যতে করোনা মহামারির মতো দুর্যোগ মোকাবিলার কথা চিন্তা করে এসব নির্দেশনা সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

এসব নির্দেশনা বই আকারে ৫টি ভলিউমে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার তত্ত্বাবধায়নে করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে জারি করা এসব প্রজ্ঞাপন সংকলন করা হয়।

মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যেসব নির্দেশনা জারি করেছে তার পরিমাণ দেখলে কিছুটা অনুমান করা যায় এই করোনার মধ্যেও ঝুঁকি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দিনরাত কতটা পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি বিষয়ের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন এবং সে অনুযায়ী প্রতিনিয়ত বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছেন।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নে সরকারের জারি করা নির্দেশনাগুলো সংরক্ষণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব বলেন, করোনা মোকাবিলায় সরকারের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এসব নির্দেশনা সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, এই করোনা মহামারির মধ্যেও নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনগণের জীবন-জীবিকা নিশ্চিত করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে তিনি প্রতিটি বিষয়, প্রতিটি মুহূর্ত মনিটর করছেন এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজের জীবনের চেয়ে দেশ ও দেশের জনগণকে বড় মনে করেন। তাই ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

করোনা মহামারি থেকে মানুষের জীবন বাঁচাতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা, জনগণকে সচেতন করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে অর্থ ও খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি চাঙা রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয় সরকার।

গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন নির্দেশনার পাশাপাশি কোভিড-১৯ মহামারি থেকে মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং জীবিকা নিশ্চিত করতে এখন পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকার (জিডিপির ৪ দশমিক ৩ শতাংশ) ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার।

ঘোষিত ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজ :
১. রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ তহবিল (মোট বরাদ্দ ৫ হাজার কোটি টাকা)

২. ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধায় মোট বরাদ্দ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।

৩. ক্ষুদ্র (কুটির শিল্পসহ) ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা মোট বরাদ্দ ২০ হাজার কোটি টাকা।

৪. বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবর্তিত ইডিএফ এর সুবিধা বাড়ানো মোট বরাদ্দ ১২,৭৫০ কোটি টাকা।

৫. Pre-shipment Credit Refinance Scheme মোট বরাদ্দ ৫ হাজার কোটি টাকা।

৬. চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ সম্মানি ১শ কোটি টাকা।

৭. করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত অথবা মৃত্যুর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ ৭শ ৫০ কোটি টাকা।

৮. বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ মোট বরাদ্দ ২ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা।

৯. ১০ টাকা কেজি দরে চাউল বিক্রি মোট বরাদ্দ ২৫১ কোটি টাকা।
১০. লক্ষ্যভিত্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ মোট বরাদ্দ ১২শ ৫৮ কোটি টাকা।

১১. ভাতা কর্মসূচির আওতা বাড়াতে মোট বরাদ্দ ৮১৫ কোটি টাকা।

১২. গৃহহীন মানুষদের জন্য গৃহ নির্মাণ মোট বরাদ্দ ২১শ ৩০ কোটি টাকা।

১৩. বোরো ধান/চাল ক্রয় কার্যক্রম মোট বরাদ্দ ৮৬০ কোটি টাকা।

১৪. কৃষিকাজ যান্ত্রিকীকরণ ৩২ হাজার ২২০ কোটি টাকা।

১৫. কৃষি ভর্তুকি ৯ হাজার ৫শ কোটি টাকা।

১৬. কৃষি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম মোট বরাদ্দ ৫ হাজার কোটি টাকা।

১৭. নিম্ন আয়ের পেশাজীবী কৃষক/ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম মোট বরাদ্দ ৩ হাজার কোটি টাকা।

১৮. কর্মসৃজন কার্যক্রম পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এবং পিকেএসএফ এর মাধ্যমে ২ হাজার কোটি টাকা।

১৯. বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর এপ্রিল-মে/২০২০ মাসে স্থগিত করা ঋণের আংশিক সুদ মওকুফ বাবদ সরকারের ভর্তুকি ২ হাজার কোটি টাকা।

২০. Credit Risk Sharing Scheme (CRS) for SME Sector ২ হাজার কোটি টাকা।

২১. রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকাশিল্পের দুস্থ শ্রমিকদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম প্রবর্তন ১১শ ৩২ কোটি টাকা।  সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন।

আরও পড়ুনঃ রাস্তা পারাপারের সময় সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকা আর্ট কলেজের শিক্ষার্থীর মৃৃত্যু

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

One thought on "ঝুঁকি নিয়ে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী"

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102