বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০১:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
বাংলাদেশ এবং তুরস্কের সম্পর্ক আত্মিক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাশ্মিরিদের ঘরে বন্দী রেখেই এবার ভারতীয়দের জমি কেনার অনুমতি দিলেন মোদি ঢাকায় ফ্রান্স সরকারের বিরুদ্ধে বিশাল মিছিল, দূতাবাস ঘেরাও আটকাল পুলিশ ম্যাক্রোঁকে সমর্থন করছে ভারতীয়রা আগাম ভোটের সংখ্যা ১০ কোটিতে পৌঁছাতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সামরিক চুক্তি আঞ্চলিক শান্তির প্রতি হুমকি: পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি ৩১ বাংলাদেশীসহ ৩৮ অবৈধ অভিবাসী আটক মালয়েশিয়ায় মালয়েশিয়ায় জরুরি অবস্থা জারির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাজার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে জাকারবার্গকে চিঠি লিখলেন ইমরান খান

দেশজুড়ে কিশোর গ্যাং কালচার!

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০

সমগ্র দেশজুড়ে বর্তমানে কিশোর গ্যাং কালচার ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। মাদক নেশায় জড়িয়ে পড়া থেকে শুরু করে চুরি, ছিনতাই, ইভটিজিং, মাদক ব্যবসা, এমনকি নিজেদের অভ্যন্তরীণ বা অন্য গ্যাং গ্রুপের সঙ্গে তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে খুনখারাবি থেকেও পিছপা হচ্ছে না কিশোর অপরাধীরা। এ যেন এক নতুন কালচার।

আরও উদ্বেগের বিষয়, মাদক নেশার টাকা জোগাড়ে ছোটখাটো অপরাধে জড়ানো বিভিন্ন গ্যাংয়ের সদস্যরা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হয়ে উঠছে ভয়ংকর অপরাধী, এলাকার ত্রাস। এর পেছনের অন্যতম প্রধান কারণ রাজনৈতিক ‘বড় ভাইদের স্বার্থের প্রশ্রয়। এতে করে এক সময় ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বড় শহরকেন্দ্রিক থাকলেও বর্তমানে গ্যাং কালচার সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে ছিমছাম, নীরব জেলা-উপজেলা শহরগুলোতেও। যা আগে কখনো কল্পনাও করা যেতনা। এখন দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও থানার এলাকার মোড় গুলোতে কিশোরদের বাজে আড্ডা ও মাদক সেবন এর মতো খারাপ কাজ গুলো করতে দেখা যায়। এলাকা গুলোকে নিজেদের কব্জায় রাখার আপ্রান চেষ্টা তাদের। আর এই কিশোর কালচারকে মোটিভেট করে সমাজের কিছু সুবিধাবাদী রাজনৈতিক নেতা, যার থেকে তারা সুবিধা নেয় ও এলাকায় তাদের রাজত্ব কায়েম করে।

পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়া এসব কিশোর স্কুল-কলেজের মোড়ে দলবেঁধে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা থেকে মাদক সেবন, চুরি, ছিনতাই এবং খুনের মতো অপরাধও করে থাকে নির্দ্বিধায়। গত দুই বছরের প্রাণহানির ঘটনাগুলো তাই বলে।

বস্তুত, পরিবার ও সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং সরকারের পক্ষে রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর উদ্যোগ ছাড়া গ্যাং কালচার রোধ করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে প্রথমেই এগিয়ে আসতে হবে সকল পিতামাতাকে। সকল সচেতন অভিভাবকদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টিই বিপথগামিতা থেকে তাদের সন্তানদের রক্ষা করতে পারে। সন্তান কী করে, কার সঙ্গে মেশে, কোথায় সময় কাটায়- এ কয়টি বিষয়ে পর্যাপ্ত মনিটরিং করতে পারলেই গ্যাংয়ের মতো বাজে কালচারে সন্তানের জড়িয়ে পড়া রোধ করা সম্ভব। এর বাইরে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষাও নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। সরকারের শীর্ষমহল বর্তমানে বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে হিসেবে নিয়েছে। একইসঙ্গে কিশোরদের পরিবার ও সমাজ এগিয়ে এলে গ্যাং কালচারের বাজে থাবা থেকে রক্ষা করে শিশু-কিশোরদের সুনাগরিক ও ভবিষ্যৎ সম্পদে রূপান্তর করা যাবে, অন্যথায় নয়।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102