রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২০, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটে ১মবর্ষের সাপ্লিমেন্টারি পরিক্ষার্থীদের লিখিত পরীক্ষা শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ”লায়ন ক্লাবের” উদ্যোগে বিনামূল্যে ডায়বেটিস চেক-আপ ও মাস্ক বিতরণ ২০২০ সাল মালয়েশিয়ায় করোনা মহামারী ছাড়াও রাজনৈতিক উত্থান-পতন ও দোলাচলের বছর বাংলাদেশের এমন কূটনীতি আগে দেখিনি মহানবী (সা:) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশে জাতিসঙ্ঘের উদ্বেগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন থেকে উদ্ধার ব্যক্তি চিকিৎসা অবস্থায় মৃত্যু জয়ের জন্মদিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা ছাত্রলীগের দোয়া ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ‘ডিস ব্যবসাকে’ কেন্দ্র করে থানায় একাধিক মামলা, গ্রেফতার হয়নি কেউ! জম্মু ও কাশ্মীরের মুসলিম-হিন্দু জনমিতি: শুমারির সংখ্যা যা বলছে রাখাইনে রেডক্রসের বোটে মিয়ানমার নৌবাহিনীর হামলা, নিহত ১

নারায়ণগঞ্জের বিস্ফোরণের দগ্ধদের মধ্যে এই প্রথম একজনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে

কাজী এস আই, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা।।
  • আপডেট সময় সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার তল্লায় মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে এই প্রথম মো. মামুন (৩০) নামের এক জনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তার শরীরের ১২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ওই ব্যক্তিকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর পাল।

তিনি জানান, বিস্ফোরণে মামুনের শরীরের ১২ শতাংশ দগ্ধ হয়। তবে তার শ্বাসনালী পোড়েনি। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে এক সপ্তাহ পর আবার ফলোআপ চিকিৎসার জন্য তাকে আসতে বলা হয়েছে। এছাড়া কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ডা. তিনি আরো জানান, ‘বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩৭ জনকে এখানে ভর্তি করা হয়েছিল। এদের মধ্যে ২৭ জন মারা গেছেন। আর এই প্রথম এক রোগীকে ছাড়া হলো। বাকি নয়জন এখনও আইসিইউ ও পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে ছাড়পত্র পাওয়া দগ্ধ মামুন বলেন, ‘আমি সুস্থ হয়ে বাসায় যচ্ছি। খুব ভালো লাগছে। ভাবতে পারিনি বাসায় ফিরতে পারব। শুনেছি ২৭ জন মারা গেছেন। আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।’

মামুনের স্ত্রী রুবি বেগম বলেন, ‘ভাবতে পারিনি আমার স্বামীকে নিয়ে বাসায় ফিরতে পারব। ২৭ জন মারা গেছেন। আমার সামনেই অনেকে মারা গেছেন। খুবই চিন্তা হচ্ছিল।’

রুবি বেগম আরো জানান, ছয় বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। কোনো সন্তান নেই তাদের। স্বামীকে নিয়ে পশ্চিম তল্লাতে থাকেন। দুজনেই পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তাদের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপায়।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

One thought on "নারায়ণগঞ্জের বিস্ফোরণের দগ্ধদের মধ্যে এই প্রথম একজনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে"

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102