মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

পশ্চিমবঙ্গের চার জেলায় কড়া নজরদারি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

পশ্চিমবঙ্গে মাওবাদী-অধ্যুষিত জঙ্গলমহলের চারটি জেলার নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই চার জেলার আন্তরাজ্য সীমান্ত কড়া পুলিশি নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা চারটি হলো পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়া। এই জেলাগুলো মূলত পার্শ্ববর্তী রাজ্য ঝাড়খন্ড ও ওডিশা লাগোয়া। ঝাড়খন্ড ও ওডিশায় ব্যাপক মাত্রায় মাওবাদী তৎপরতা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় নতুন ৯ জনসহ জেলায় মোট আক্রান্ত ২৩৬৮ জন

পশ্চিমবঙ্গে আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন দৃরপ্রতিজ্ঞ। এই জন্য রাজ্যে মাওবাদী তৎপরতা ঠেকানেরা বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার জঙ্গলে মাওবাদীদের উপস্থিতি টের পাওয়ার পর সজাগ হয় রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসন। ঘটনা শোনার পরই ওই অঞ্চলে ছুটে যান রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক বীরেন্দ্র। তিনি জেলার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। জেলার বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তিনি জঙ্গলমহলের চার জেলার সঙ্গে অন্য রাজ্যের সীমান্ত এলাকায় মাওবাদী তৎপরতা রুখতে বিশেষ নির্দেশ দেন। তিনি আন্তরাজ্য সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে পুলিশি নজরদারি জোরদার করার নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: রেস্তোরাঁয় আচমকা চিতাবাঘ

মাওবাদী তৎপরতা রুখতে গত শনিবারই ঝাড়গ্রামে ৩ কোম্পানি সিআরপিএফ জওয়ান যোগ দেন। রাজ্য পুলিশ ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়া জেলার আন্তরাজ্য সীমান্ত এলাকা সুরক্ষিত রাখতে ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা দিয়ে মুড়ে দিচ্ছে। জানা গেছে যে, এই আন্তরাজ্য সীমান্ত এলাকায় ৪ হাজার ৬২০ টি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। এইসব ছাড়াও আরও তৈরি করা হচ্ছে ১২৩ টি ওয়াচ টাওয়ার। তাছাড়া রাজ্য পুলিশ দ্বারা  নজরদারি করতে গড়ে তোলা হচ্ছে ১০০ টি কন্ট্রোল রুম। যার ফলে রাজ্য সটিবালয় নবান্ন থেকে জঙ্গলমহলের ১৯ টি থানার ওপর নজরদারি করতে পারবে রাজ্য প্রশাসন।

আরও পড়ুন: উলিপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একজনের মৃত্যু

এছাড়াও ভারতের ছত্তিশগড়ে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় প্রায় সাড়ে সাত বছর আগে ১৭ জন আদিবাসীর নিহত হওয়ার এক ঘটনায় নিরাপত্তাবাহিনী সম্পূর্ণ বিনা প্ররোচনায় গুলি চালিয়েছিল বলে একটি বিচারবিভাগীয় তদন্তে উঠে এসেছে। সারকেগুডা গামের ওই ঘটনাটিকে এনকাউন্টার বা সংঘর্ষের ঘটনা বলে সাজানো চেষ্টা হয়েছিল বলে তদন্ত রিপোর্ট জানানো হয়েছে, যদিও বাস্তবে গ্রামবাসীদের ‍দিক থেকে সেদিন কোনও প্রতিরোধই ছিল না।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102