বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৭:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
ইয়েমেনে অপুষ্টিতে লাখো শিশু মৃত্যু ঝুঁকিতে বাংলাদেশ এবং তুরস্কের সম্পর্ক আত্মিক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাশ্মিরিদের ঘরে বন্দী রেখেই এবার ভারতীয়দের জমি কেনার অনুমতি দিলেন মোদি ঢাকায় ফ্রান্স সরকারের বিরুদ্ধে বিশাল মিছিল, দূতাবাস ঘেরাও আটকাল পুলিশ ম্যাক্রোঁকে সমর্থন করছে ভারতীয়রা আগাম ভোটের সংখ্যা ১০ কোটিতে পৌঁছাতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সামরিক চুক্তি আঞ্চলিক শান্তির প্রতি হুমকি: পাকিস্তানের হুঁশিয়ারি ৩১ বাংলাদেশীসহ ৩৮ অবৈধ অভিবাসী আটক মালয়েশিয়ায় মালয়েশিয়ায় জরুরি অবস্থা জারির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাজার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক কিশোরকে হত্যার অভিযোগ

বন্যার পানি নেমে গেলেও দুর্ভোগে পড়েছেন চরাঞ্চলের মানুষেরা

আতাউর রহমান সবুজ, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২০

বন্যার পানি কমে গেলেও দুর্ভোগ

কুড়িগ্রাম জেলায় বন্যার পানি নেমে গেলেও গবাদি পশুর খাদ্য সংকট নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চরাঞ্চলের মানুষেরা।

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের দীর্ঘ দেড় মাস বন্যার পানিতে তলিয়ে থাকায় চারণ ভুমির গো-খাদ্য সম্পুর্ণরুপে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেকেরই নষ্ট হয়ে গেছে গবাদি পশুর সঞ্চিত খাবারও। এ অবস্থায় নিজেদের খাবারের পাশাপাশি তাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন ও প্রধানতম সম্পদ গবাদি পশুর খাদ্য সংকট নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

সরকারি হিসেবে এবারের বন্যায় কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলার ৫৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে পড়ে। এতে করে জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমারের অববাহিকার সাড়ে ৪ শতাধিক চর ও দ্বীপ চরের প্রায় ৪ লক্ষাধিক মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে।

আড়ও পড়ুন: ধরলা নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

সরকারি হিসেবে এসব এলাকার ৬০ হাজার গরুসহ প্রায় লক্ষাধিক মহিষ, ভেড়া, ছাগল ও ২ লক্ষাধিক হাস-মুরগী বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে।

টানা বন্যার পরবর্তী এ সময়টাতে চরাঞ্চলের কর্মহীন মানুষজন নিজেরা খেয়ে না খেয়ে দিন পার করলেও তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন গবাদি পশু খাবার জোটাতে না পারায় পড়েছেন মহা বিপাকে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের রলাকাটার চরের শমসের আলী মুন্সী জানান, ছোট বড় মিলে আমার ১২টি গরু রয়েছে। এবারের দীর্ঘ বন্যায় গরুর খাবারসহ সবকিছু পচে গেছে। সামান্য কিছু খর বাঁশের মাচার উপর রেখেছিলাম। তাও শেষ হয়ে গেছে। এখন এই গরুর খাবার জোটানো নিয়ে মহা দু:চিন্তায় পড়েছি।

উলিপুর উপজেলার সাহেবের আগলা ইউনিয়নের কালু মিয়া জানান, গরুর খাবার জোটানো দু:সাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজার ছোট ছোট ১ শ খড়ের আটির দাম ৯শ টাকা। এই গরু কিভাবে রক্ষা করবো জানা নেই।

চরবাসীরা জানান, চরাঞ্চলগুলোতে সরকারিভাবে গো-খাদ্য বিতরণ করা হলেও বেশিরভাগ গবাদি পশুর মালিকের ভাগ্যে জুটছে না তাও।

জেলার অতিরিক্ত প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: মকবুল হোসেন বলেন, আমরা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে ১২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়েছি এবং তা গো খাদ্য হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। এরপরও বন্যা পরবর্তী সময়টাতে এই গবাদি পশুর যাতে কোন ক্ষতি না হয় এজন্য সরকার থেকে প্রনোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

একমাসের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে তাদের মোবাইল একাউন্টের  মাধ্যমে এই প্রনোদনার টাকা দেয়া হবে।

 

আতাউর রহমান সবুজ, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

One thought on "বন্যার পানি নেমে গেলেও দুর্ভোগে পড়েছেন চরাঞ্চলের মানুষেরা"

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102