বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোবার ঘর থেকে গলিত লাশ উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্মাণাধীন তিন তলার ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত রাজধানীর গুলশানের নর্দা এলাকায় কাভার্টব্যানের পত্রিকার হকার নিহত স্বর্ণের মতো চার ক্যাটাগরিতে বি‌ক্রি হবে রূপা হযরত মুসা (আ:)-এর স্মৃতি বিজরিত সেই কূপ ও বাড়ি এখনো টিকে আছে সৌদি আরবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা অনুশীলন অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সসহ সদর উপজেলায় ১২ জন শনাক্ত যুক্তরাষ্ট্রের কোলে আশ্রয় নিতে ছুটছে ভারত, পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছে চীন বিশ্বকে অবশ্যই ‘গণতান্ত্রিক’ মিয়ানমারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে বাড্ডায় জবাই করা যুবকের মরদেহ উদ্ধার

মজার পিকনিক

আইন আলসাবা আতিক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০

এক শহরে থাকত দুই বোন। তাদের সাথে থাকত তাদের মা-বাবা। তাদের মধ্যে একজনের নাম তানিশা এবং আরেকজনের নাম আনিশা। তারা ক্লাস ফাইভে পরে। একদিন তারা স্কুলে যেয়ে জানতে পারল তারা সামনের শুক্রবার পিকনিকে যেতে পারে। তারা তাদের মা-বাবাকে বলে, “স্কুল থেকে তারা পিকনিকে যেতে চাই।” তানিশা ও আনিশা মা-বাবা রাজি হন।
তারা পরের শুক্রবার বাসে উঠে পিকনিকের জন্য একটি পাহাড়ে গেল। পাহাড়টি ঘিরে রয়েছিল ছোট ছোট গাছ ও বরফ দিয়ে। রহিম ও তার বন্ধুদের শিক্ষক একটি দড়ি বের করে। দড়িটি ছিল খুব লম্বা। তার শিক্ষক সেই দড়িটি পাহাড়ে আটকে দিল। সবাই তখন লাইন ধরে সেই দড়ি দিয়ে পাহাড়ের উপরে উঠল। তারপর তারা আগুন জ্বালাল।
তারা সবাই মিলে তারপর ক্যাম্প করল। সবাই মিলে সেই দিনটা সেখানেই কাঁটাল এবং সকালবেলা নাস্তা করল। তারপর তাদের শিক্ষক একটি দড়ি বের করে সেই পাথরে আঁটকে দিল। এরপর তারা সবাই নিচে নামতে লাগল। নিচে নেমে তারা সামনে এগুতে লাগল। কিছুক্ষণ পর তারা একটি হোটলে গিয়ে প্রবেশ করল। হোটেলটি ছিল খুব সুন্দর। হোটেলের বাগানে অনেক ফুলের গাছ ছিল।
সবাই ভিতরে প্রবেশ করল। তারপর তারা ফ্রেশ হল এবং একটু রেস্ট নিল। তারপর তারা নিচের বাগানে গেল। গিয়ে খুব আনন্দ করল, ফুল দেখল, নানা রঙ্গের প্রজাপতি দেখল। প্রায় বিকাল ঘনিয়ে আসল। তারা তখন হোটলের ভিতরে গিয়ে একটু মজা করল। রাত হবার পর খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে গেল।
সকাল ছয়টার সময় তারা সবাই ঘুম থেকে উঠল। তারপর তারা ফ্রেশ হয়ে নাশতা খেয়ে আবার বের হল। তারা একটি পুকুরের সামনে গেল। যারা সাতার পারে না তারা সাতার শিখার চেষ্টা করল। তারা কিছুদিন পর সাতার শিখল। তারা এখানে তিন সপ্তাহ থাকল। তারা খুব হইচই করে বাস দিয়ে গেল নিজেদের বাড়িতে। এবং তাদের পরিবারকে সব আনন্দের কথা বলল। ওই দিনটা যখনই আনিশার মনে আসত তখনই খুব ভাল লাগত। তারা ওই দিন অনেক আনন্দ করেছিল এইটা ভেবে তানিশারও খুব ভাল লাগল।
তারা চাই এই রকমই আবার আরেকটা দিন আসক, কোনো একটা সময়। এই দিনটা তারা কখনও ভুলবে না।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102