শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

রাজধানীতে দুর্বত্তকারীর ছুরিকাঘাতে একজন নিহত, আহত ৩ জন

কাজী এস আই, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা।।
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০

রাজধানীর ওয়ারী থানাধীন নওয়াবপুর বড়গ্রাম এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মুন্না (১৭) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মুন্নার মামাতো ভাই শাহীন (১৭) গুরুতর আহত হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে গুরুতর আহত অবস্হায় তাদেরকে প্রথমে ন্যাশনাল হাসপাতাল পরে অবস্হার অবনতি হলে তাদেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুন্নাকে সন্ধ্যা ছয়টায মৃত ঘোষণা করেন।

আহত শাহীন জানান, দুপুরে দিকে মুন্নাকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে ঘুরতে বের হন দুই জন। বিকেলের দিকে নওয়াবপুর বনগ্রাম এলাকায় গেলে কয়েকজন যুবক তাদের ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় পথচারীরা তাদেরকে ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যায়। ন্যাশনাল হাসপাতাল থেকে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুন্নাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মুন্নার বাবা মনিরুল ইসলাম জানান, মুন্না বাসের হেলপার ছিলো ও শাহীন ওয়ার্কশপে কাজ করতো। বিকেলে ওরা দু’জন আমার মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়। এরপর লোক মারফত শুনতে পারি কে বা কারা মুন্না ও শাহীনকে ছুরি মেরেছে। ওদের উদ্ধার করে ন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরে তারা গিয়ে ন্যাশনাল হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে মোটরসাইকেলটি খুঁজে পাইনি। তাদের ধারণা দু’জনকে ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। মুন্নার পিঠের নিচে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন আছে। এবং শাহীনের পেটে বড়ধরনের ছুরিকাঘাত আছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

অপর দূর্ঘটনাটি ঘটে রাজধানীর লালবাগ কেল্লার সামনে। ঐ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে বাপ্পী নামের এক কলেজ ছাত্র আহত হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ভর্তি করা হয়েছে।

তার স্বজনরা জানান, বাপ্পীর বাড়ি শরীয়ত পুরের জাজিরা উপজেলার সৈয়লকান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম মালেক মাদবর। সে শরীয়তপুর সরকারি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

তার বন্ধু সাগর জানান, বাপ্পী শনিবার (২৯ আগস্ট) গ্রামের বাড়ি থেকে লালবাগ শহীদনগরে চাচায় বাসায় বেড়াতে আসে। রোববার দুপুরে আমি, বাপ্পী ও আরেক বন্ধু আবেদ মোটর সাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হই।

পুরান ঢাকার লালবাগ কেল্লার মোড়ে মোটর সাইকেল রেখে পাশেই দাঁড়িয়ে আমরা আড্ডা দিচ্ছিলাম। এই সময় আনুমানিক ১৫/২০ জন যুবক এসে আমাদের মারধর করতে শুরু করেন। তারা আমার কাছ থেকে একটি মোবাইল, আবেদের কাছ থেকে তার মানিব্যাগ ও বাপ্পীর কাছ থেকে ডিএসএলআর ক্যামেরা ও মানিব্যাগে থাকা বেশ কয়েক হাজার টাকা জোর করে নিয়ে যান। বাপ্পি  ক্যামেরা দিতে না চাওয়ায় তারা বাপ্পীর বুকে, পেটে ও হাতে ছুরিকাঘাত করেন। পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদশর্ক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, বাপ্পীর শরীরে চারটি ছুরিকাঘাত এর দাগ রয়েছে। তাকে এখন জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102