রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১১:২৫ অপরাহ্ন

রাজাপুরে রাতের অন্ধকারে পুরোনো দোকান ঘর উচ্ছেদ করে আবার নতুন দোকান নির্মাণ

আতাউর রহমান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি।।
  • আপডেট সময় বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০

 

রাজাপুরে রাতের অন্ধকারে পুরোনো দোকান ঘর উচ্ছেদ করে আবার নতুন দোকান নির্মাণ করায় থানায় মামলা। ঝালকাঠির রাজাপুর সদর উপজেলার ৬নং মঠবাড়ি ইউনিয়নের বদনিকাঠি বাজারে প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বদনীকাঠি ১১৪ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শতাংশ জমি জবরদখল করেছে একটি প্রভাবশালী মহল।

ইতোমধ্যে চক্রটি ঈদের আগের দিন রাতের অন্ধকারে বিদ্যালয়ের ওই জমিতে শাহআলম খানের একটি পুরোনো দোকান ঘর উচ্ছেদ করে কাঠখুটি দিয়ে টিনশেট দোকান ঘর বানিয়েছে।
ভুক্তভোগী পুরোনো দোকানের মালিক সকালে বাজারে গিয়ে তার দোকানের ঐরকমের অবস্থা দেখে প্রতিবাদ করলে,  উল্টো তাকে হুমকি দামকি দিলে তিনি জমি উদ্ধারে জন্য ঐ দিনই রাজাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। থানা পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পেলে গত ০৪/০৮/২০২০ ইং তারিখ মামলাটি এজাহার ভুক্ত করেন, যাহার মামলা নং ৩ ।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য মোঃ শাহ আলম খানের বাবা ও চাচারা স্কুলের নামে উক্ত সম্পত্তি দানপত্র করে দিয়েছে। উক্ত জমির ২ শতাংশ জমিতে দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ একটি দোকানঘর তুলে শাহ আলম খান ব্যবসা করতেন।
এ জমিটি দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে পার্শ্বের জমির মালিক স্থানীয় মাহাবুবুর রহমান খান, মঞ্জিল খান, মহশিন খান ও তাদের পিতা ইয়াকুব আলী খান, তাদের গ্রাম বদনিকাঠী।
এদের কাগজপত্র না থাকার কারণে রাতের আঁধারে কৌশলে ওই জমির ওপর পুরোনো দোকানটি গায়েব করে আবার নতুন করে টিনশেট দোকান ঘর নির্মাণ করেন মাহাবুবুর রহমান খান। সকালে শিক্ষক ও স্থানীয় লোকজন নতুন দোকান ঘর দেখে হতবাক হয়ে যান ।

এই ব্যাপারে মামলার বাদী মোঃ শাহ আলম খান জানায়,গত কোরবানির ঈদের আগের দিন রাতে রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের বদনিকাঠি বাজারের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে তার দুই শতাংশ জমির উপর একটি দোকান ঘর ছিলো, সেই দোকনটি রাতের আধাঁরে কোথায় নিয়ে গেছে জানি না। সকালে দেখি সেই জায়গায় নতুন একটি  টিনের দোকান তৈরি করে ভিতরে রড সিমেন্ট রেখেছে। আমার প্রতিবেশী মাহাবুব খান বদনিকাঠি কমিউনিটি ক্লিনিকে চাকুরি করে, এই দাপটে সে কিছুই পরোয়া করে না। এই মাহাবুব গংদের ভয়ে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি। এরা আমাকে যেকোন সময় হত্যা করতে পারে।
এ ব্যাপারে বদনিকাঠি কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত অভিযুক্ত মাহাবুবুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই জমি আমাদের বাবা ও দাদার নামে এসএ ও বিএস রেকর্ড করা দুই শতাংশ আমাদের নামে হয়েছে। শাহ আলম খান যে দাবি করে তাদের কিছুই নাই।
এ ব্যাপারে রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান,বদনিকাঠি দোকান ঘর দখল নিয়ে শাহ আলম খান একটি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে এজাহার হিসাবে রেকর্ড করা হয়েছে।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102