মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

স্পেন কাঁপছে দ্বিতীয় করোনা ভাইরাস সংক্রমণে !

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

হাইলাইট

  • স্পেনে আবার ফিরে এলো করোনা ভাইরাস
  • এখনও পর্যন্ত ১১৪ জনের শরীরে নতুন করে ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে
  • নতুন এই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে খুব দ্রুত গতিতে

গত রবিবার থেকে আবার করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে দক্ষিণ ফ্রান্সে। একই দিনে নতুন করে ৩৩ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। হাসপাতাল এবং বাড়ির বাহিরে উপচে পড়া মাস্ক, গ্লাভস এবং চিকিৎসায় ব্যবহারকৃত আবর্জনায়। ইতিমধ্যে সেখানে শুরু হয়েছে পক্সের সংক্রমণ। স্পেন জুড়ে িএখন করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি । কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে জার্মানি, গ্রীস, ইতালি, বেলজিয়ামে বাড়ছে পক্স আক্রান্তের সংখ্যা।

স্থানীয়রা এইটাকে পক্স বললেও পক্সের ভাইরাসের সঙ্গে এর খানিক ফারাক রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১১৪ জনের দেহে হয়েছে নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ। আর নতুন এই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে খুব দ্রুত গতিতে। স্পেনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এই পর্যন্ত মারা গিয়েছে প্রায় ২৯ হাজার মানুষ।

স্পেনে প্রথম থেকেই কঠোর লকডাউন মানা হয়েছে। কিন্তু এর পরেই সবই খুব তারাতারি খুলে দেওয়া হয়েছিল। নাইট ক্লাব, বার সবই বেশ কিছুদিন আগে খুলে গিয়েছে। এমনকী সেখানকার লোকজন আগের মতোই নাইট লাইফ উপভোগ করছেন। ফলে ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় এখানেই আবার নতুন করে সংক্রমণ শুরু হয়েছে।

করোনার পর নতুন করে অর্থনীতি চাঙ্গা করতে মাঠে নেমেছিল ইউরোপের দেশগুলি। কিন্তু এখনই সেই সব নতুন প্রয়াস একেবারেই অনিশ্চিত। আবার কীভাবে বাজার চাঙ্গা হবে ইউরোপের সেই বিষয়ও ভাবাচ্ছে তাদের। অনেক বিশেষজ্ঞই বলছে এটা হয়তো করোনার দ্বিতীয় থাবা। কিন্তু এই ভাইরাস আদতে কী আর কেনই তা এই ভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে মে মাসের করোনায় মৃত্যুর হার যেমন ছিল এখন তার থেকে অনেকটাই কম। আগে যেমন ষাটোর্ধ্বরাই আক্রান্ত হচ্ছিলেন এখন আক্রান্ত হচ্ছেন মধ্যে বয়সীরা। আগের থেকে করোনার পরীক্ষাও অনেক বেশি হচ্ছে। কিন্তু কারোর মধ্যেই করোনার কোনো রকম লক্ষণ নেয়। তবুও রেজাল্ট পজিটিভ আসছে।

স্পেনে চালু হয়েছিল ট্যুরিজমও। এতদিন গৃহবন্দী থাকার পর অনেক মানুষই বেরিয়ে পড়েছেন। এমনকি মেনে চলা হয়নি সামাজিক বিধিও। একাংশের দাবি স্পেনের নাইট লাইফ নতুন করে সংক্রমণ ডেকে আনছে। এই ছাড়াও পার্টি লেগেই থাকছে ।অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতেই জোর দেওয়া হয়েছিল নাইট ক্লাবগুলোর উপর।

পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এইরকম আরো খবর দেখুন

© All rights reserved © 2020- SottoSamachar.Com || মানুষের সাথে, মানুষের পাশে।

Search Results

Web result with site link

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102